নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দেওয়ার পর মো. শামীম আহসানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তাকে দলীয় সদস্যপদ স্থগিত করার পাশাপাশি সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। শামীম আহসান বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তার বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ আহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা মহলে মন্তব্যটি তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয় এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সংগঠনটি জানায়, দলীয় নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি বক্তব্য দেওয়ায় জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা সহকারী সেক্রেটারিসহ তার সব সাংগঠনিক দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছে।
জামায়াতের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংগঠনের আদর্শ অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য বা কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি রাতে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকায় বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন শামীম আহসান। সেখানে ডাকসু নির্বাচন পরবর্তী সময় নিয়ে তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করেন, যা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়।